Monday, September 7, 2015

রাসুল(সাঃ) ঘোষিত ১২ ইমাম সম্পকে

রাসুল(সাঃ) ঘোষিত ১২ ইমাম সম্পকে
মিসরীয় এক গবেষক ইমামদের (আ.) সংখ্যা এবং তাদের নিষ্পাপত্বকে প্রমাণ করেছেন আল আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত এক মিসরীয় গবেষক ও খতিব, পবিত্র কোরআনের আয়াতের মাধ্যমে ইমামগণ (আ.) এর সংখ্যা এবং ইমামগণ (আ.) এর নিষ্পাপ হওয়ার বিষয়টি প্রমাণ করে আহলে বাইত (আ.) এর মাযহাবের অনুসারীদের আকিদাকে সমর্থন করেছেন।

আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা আবনার রিপোর্ট: ‘ড. মাজদি ওয়াহবাতাশ শাফেয়ী’ পবিত্র কোরআনের আয়াতের মাধ্যমে ইমামগণ (আ.) এর সংখ্যা এবং তাদের নিষ্পাপত্ব প্রমাণ করেছেন।

এ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে, ইমামতের ধারা আমিরুল মু’মিনীন আলী (আ.) এর মাধ্যমে শুরু হয়ে ইমাম মাহদী (আ.) এ শেষ হয় এবং নিষ্পাপ ব্যক্তিদের সংখ্যা ১৪ জন বলে তিনি দাবী করেছেন।

মিসরীয় এক পত্রিকায় প্রকাশিত এ খবরে বলা হয়েছে: নিঃসন্দেহে সংখ্যার ভিত্তিতে কোরআনের আয়াতসমূহের প্রতিটি সমষ্টির বিশেষ অর্থ রয়েছে, যেমন: পবিত্র কোরআন یوم (দিন) শব্দটি সর্বমোট ৩৬৫ বার বর্ণিত হয়েছে, আর এটা দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, বছরের সর্বমোট দিনের সংখ্যাও ৩৬৫। তদ্রূপভাবে কোরআনে شهر (মাস) শব্দটি বারো বার উল্লিখিত হয়েছে এবং আমরা দেখতে পাই যে, ১২ মাসে এক বছর।

এ খবরে আরো বলা হয়েছে: الامامة (ইমামত) শব্দটিও পবিত্র কোরআনে ১২ বার এসেছে যার অর্থ হলো ১২ জন ইমাম এবং মহানবী (স.) হতে বর্ণিত এক রেওয়ায়েতের ভিত্তিতে এ ইমামতের ধারা হযরত আলী (আ.), ইমাম হাসান (আ.) ও ইমাম হুসাইন (আ.) এর মাধ্যমে শুরু হয়ে তৃতীয় ইমামের ৯ জন সন্তান এ ১২ জনের অন্তর্ভুক্ত।

নিম্নে ঐ ১২টি আয়াত উল্লেখ করা হল যাতে ইমামত শব্দটি উল্লিখিত হয়েছে:


1- سورة البقرة، الآية 124: {وَإِذِ ابْتَلَى إِبْرَاهِيمَ رَبُّهُ بِكَلِمَاتٍ فَأَتَمَّهُنَّ قَالَ إِنِّي جَاعِلُكَ لِلنَّاسِ إِمَاماً قَالَ وَمِن ذُرِّيَّتِي قَالَ لاَ يَنَالُ عَهْدِي الظَّالِمِين}.









2- سورة المائدة، الآية 12: {وَلَقَدْ أَخَذَ اللّهُ مِيثَاقَ بَنِي إِسْرَائِيلَ وَبَعَثْنَا مِنهُمُ اثْنَيْ عَشَرَ نَقِيباً وَقَالَ اللّهُ إِنِّي مَعَكُمْ لَئِنْ أَقَمْتُمُ الصَّلاَةَ وَآتَيْتُمُ الزَّكَاةَ وَآمَنتُم بِرُسُلِي وَعَزَّرْتُمُوهُمْ وَأَقْرَضْتُمُ اللّهَ قَرْضاً حَسَناً لأُكَفِّرَنَّ عَنكُمْ سَيِّئَاتِكُمْ وَلأُدْخِلَنَّكُمْ جَنَّاتٍ تَجْرِي مِن تَحْتِهَا الأَنْهَارُ فَمَن كَفَرَ بَعْدَ ذَلِكَ مِنكُمْ فَقَدْ ضَلَّ سَوَاء السَّبِيل}.









3- سورة هود، الآية17: {أَفَمَن كَانَ عَلَى بَيِّنَةٍ مِّن رَّبِّهِ وَيَتْلُوهُ شَاهِدٌ مِّنْهُ وَمِن قَبْلِهِ كِتَابُ مُوسَى إَمَاماً وَرَحْمَةً أُوْلَـئِكَ يُؤْمِنُونَ بِهِ وَمَن يَكْفُرْ بِهِ مِنَ الأَحْزَابِ فَالنَّارُ مَوْعِدُهُ فَلاَ تَكُ فِي مِرْيَةٍ مِّنْهُ إِنَّهُ الْحَقُّ مِن رَّبِّكَ وَلَـكِنَّ أَكْثَرَ النَّاسِ لاَ يُؤْمِنُونَ}.









4- سورة الاسراء، الآية70: {يَوْمَ نَدْعُو كُلَّ أُنَاسٍ بِإِمَامِهِمْ فَمَنْ أُوتِيَ كِتَابَهُ بِيَمِينِهِ فَأُوْلَـئِكَ يَقْرَؤُونَ كِتَابَهُمْ وَلاَ يُظْلَمُونَ فَتِيلا}.









5- سورة الانبياء، الآية 72: {وَجَعَلْنَاهُمْ أَئِمَّةً يَهْدُونَ بِأَمْرِنَا وَأَوْحَيْنَا إِلَيْهِمْ فِعْلَ الْخَيْرَاتِ وَإِقَامَ الصَّلاةِ وَإِيتَاء الزَّكَاةِ وَكَانُوا لَنَا عَابِدِين}.









6- سورة القصص، الآية 5: {وَنُرِيدُ أَن نَّمُنَّ عَلَى الَّذِينَ اسْتُضْعِفُوا فِي الاَرْضِ وَنَجْعَلَهُمْ أَئِمَّةً وَنَجْعَلَهُمُ الْوَارِثِين}.









7- سورة الحجر، الآية 79: {فَانتَقَمْنَا مِنْهُمْ وَإِنَّهُمَا لَبِإِمَامٍ مُّبِينٍ }.









8- سورة السجدة، الآية 24: {وَجَعَلْنَا مِنْهُمْ أَئِمَّةً يَهْدُونَ بِأَمْرِنَا لَمَّا صَبَرُوا وَكَانُوا بِآيَاتِنَا يُوقِنُون}.









9- سورة يس، الآية 12: {إِنَّا نَحْنُ نُحْيِي الْمَوْتَى وَنَكْتُبُ مَا قَدَّمُوا وَآثَارَهُمْ وَكُلَّ شَيْءٍ أحْصَيْنَاهُ فِي إِمَامٍ مُبِينٍ}.









10. سورة القصص، الآية 41: {وَجَعَلْنَاهُمْ أَئِمَّةً يَدْعُونَ إِلَى النَّارِ وَيَوْمَ الْقِيَامَةِ لا يُنصَرُون}.









11. سورة الفرقان، الآية 74: {وَالَّذِينَ يَقُولُونَ رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَاماً}.









12. سورة الأحقاف، الآية 12: {وَمِن قَبْلِهِ كِتَابُ مُوسَى إِمَاماً وَرَحْمَةً وَهَذَا كِتَابٌ مُّصَدِّقٌ لِّسَاناً عَرَبِيّاً لِّيُنذِرَ الَّذِينَ ظَلَمُوا وَبُشْرَى لِلْمُحْسِنِينَ}.



আল আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ের মসজিদের খতিব, হাদীসে কিসার –যা আহলে সুন্নাতের প্রসিদ্ধ ছয়টি সহীহ হাদীস গ্রন্থে উম্মে সালামাহ হতে বর্ণিত হয়েছে- প্রতি ইশারা করে উল্লেখ করেছেন যে, کساء (কিসা) শব্দটিও পবিত্র কোরআনে ৫ বার বর্ণিত হয়েছে, যা নিম্নে উল্লেখ করা হল:



1. سورة البقرة، الآية 233: {وَالْوَالِدَاتُ يُرْضِعْنَ أَوْلاَدَهُنَّ حَوْلَيْنِ كَامِلَيْنِ لِمَنْ أَرَادَ أَن يُتِمَّ الرَّضَاعَةَ وَعلَى الْمَوْلُودِ لَهُ رِزْقُهُنَّ وَكِسْوَتُهُنَّ بِالْمَعْرُوفِ لاَ تُكَلَّفُ نَفْسٌ إِلاَّ وُسْعَهَا لاَ تُضَآرَّ وَالِدَةٌ بِوَلَدِهَا وَلاَ مَوْلُودٌ لَّهُ بِوَلَدِهِ وَعَلَى الْوَارِثِ مِثْلُ ذَلِكَ فَإِنْ أَرَادَا فِصَالاً عَن تَرَاضٍ مِّنْهُمَا وَتَشَاوُرٍ فَلاَ جُنَاحَ عَلَيْهِمَا وَإِنْ أَرَدتُّمْ أَن تَسْتَرْضِعُواْ أَوْلاَدَكُمْ فَلاَ جُنَاحَ عَلَيْكُمْ إِذَا سَلَّمْتُم مَّا آتَيْتُم بِالْمَعْرُوفِ وَاتَّقُواْ اللّهَ وَاعْلَمُواْ أَنَّ اللّهَ بِمَا تَعْمَلُونَ بَصِير}.









2. سورة البقرة، الآية 259: {أَوْ كَالَّذِي مَرَّ عَلَى قَرْيَةٍ وَهِيَ خَاوِيَةٌ عَلَى عُرُوشِهَا قَالَ أَنَّىَ يُحْيِـي هَـَذِهِ اللّهُ بَعْدَ مَوْتِهَا فَأَمَاتَهُ اللّهُ مِئَةَ عَامٍ ثُمَّ بَعَثَهُ قَالَ كَمْ لَبِثْتَ قَالَ لَبِثْتُ يَوْماً أَوْ بَعْضَ يَوْمٍ قَالَ بَل لَّبِثْتَ مِئَةَ عَامٍ فَانظُرْ إِلَى طَعَامِكَ وَشَرَابِكَ لَمْ يَتَسَنَّهْ وَانظُرْ إِلَى حِمَارِكَ وَلِنَجْعَلَكَ آيَةً لِّلنَّاسِ وَانظُرْ إِلَى العِظَامِ كَيْفَ نُنشِزُهَا ثُمَّ نَكْسُوهَا لَحْماً فَلَمَّا تَبَيَّنَ لَهُ قَالَ أَعْلَمُ أَنَّ اللّهَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِير}.









3. سورة المائدة، الآية 89: {لاَ يُؤَاخِذُكُمُ اللّهُ بِاللَّغْوِ فِي أَيْمَانِكُمْ وَلَـكِن يُؤَاخِذُكُم بِمَا عَقَّدتُّمُ الأَيْمَانَ فَكَفَّارَتُهُ إِطْعَامُ عَشَرَةِ مَسَاكِينَ مِنْ أَوْسَطِ مَا تُطْعِمُونَ أَهْلِيكُمْ أَوْ كِسْوَتُهُمْ أَوْ تَحْرِيرُ رَقَبَةٍ فَمَن لَّمْ يَجِدْ فَصِيَامُ ثَلاَثَةِ أَيَّامٍ ذَلِكَ كَفَّارَةُ أَيْمَانِكُمْ إِذَا حَلَفْتُمْ وَاحْفَظُواْ أَيْمَانَكُمْ كَذَلِكَ يُبَيِّنُ اللّهُ لَكُمْ آيَاتِهِ لَعَلَّكُمْ تَشْكُرُون}.









4. سورة المؤمنون، الآية 14: {ثُمَّ خَلَقْنَا النُّطْفَةَ عَلَقَةً فَخَلَقْنَا الْعَلَقَةَ مُضْغَةً فَخَلَقْنَا الْمُضْغَةَ عِظَاماً فَكَسَوْنَا الْعِظَامَ لَحْماً ثُمَّ أَنشَأْنَاهُ خَلْقاً آخَرَ فَتَبَارَكَ اللَّهُ أَحْسَنُ الْخَالِقِين}.









5. سورة النساء، الآية {وَلاَ تُؤْتُواْ السُّفَهَاء أَمْوَالَكُمُ الَّتِي جَعَلَ اللّهُ لَكُمْ قِيَاماً وَارْزُقُوهُمْ فِيهَا وَاكْسُوهُمْ وَقُولُواْ لَهُمْ قَوْلاً مَّعْرُوفا}.#

Wednesday, September 2, 2015

আল্লাহর নিদর্শন "১৯"- (পর্ব-৫)

আল্লাহর নিদর্শন "১৯"- (পর্ব-৫)
কুরআনে প্রত্যেক সূরার নিজস্ব ক্রমিক নম্বর আছে,আছে প্রত্যেক সূরার নির্দিষ্ট আয়াত সংখ্যা।
প্রত্যেক সূরার ক্রমিক নম্বরের সাথে যদি প্রত্যেক সূরার আয়াত সংখ্যা এবং আয়াত সংখ্যাগুলোর যোগফল যোগ করা হয় তাহলে একটি সংখ্যা পাওয়া যায়।

 নির্দিষ্ট সূরার আয়াত সংখ্যাগুলোর যোগফল বের করার সহজ পদ্ধতি হলঃ
n(n+1)/2, where n= Number of sign(আয়াত)
যেমন ধরুন সূরা ফাতিহার ক্রমিক নম্বর ১ + আয়াত সংখ্যা ৭+ আয়াতগুলোর যোগফল ২৮+ সূরা বাক্বারা ক্রমিক নম্বর ২+ আয়াত সংখ্যা ২৮৬+ আয়াতগুলোর যোগফল ৪১০৪১....
তাহলে,
(১+৭+২৮)+(২+২৮৬+৪১০৪১)
+(৩+২০০+২০১০০)+(৪+১৭৬+১৫৫৭৬)
+(৫+১২০+৭২৬০)+(৬+১৬৫+১৩৬৯৫)
+(৭+২০৬+২১৩২১)+(৮+৭৫+২৮৫০)
+(৯+১২৭+৮১২৮)+(১০+১০৯+৫৯৯৫)
+(১১+১২৩+৭৬২৬)+(১২+১১১+৬২১৬)
+(১৩+৪৩+৯৪৬)+(১৪+৫২+১৩৭৮)
+(১৫+৯৯+৪৯৫০)+(১৬+১২৮+৮২৫৬)
+(১৭+১১১+৬২১৬)+(১৮+১১০+৬১০৫)
+(১৯+৯৮+৪৮৫১)+(২০+১৩৫+৯১৮০)
+(২১+১১২+৬৩২৮)+(২২+৭৮+৩০৮১)
+(২৩+১১৮+৭০২১)+(২৪+৬৪+২০৮০)
+(২৫+৭৭+৩০০৩)+(২৬+২৭+২৫৮৭৮)
+(২৭+৯৩+৪৩৭১)+(২৮+৮৮+৩৯১৬)
+(২৯+৬৯+২৪১৫)+(৩০+৬০+১৮৩০)
+(৩১+৩৪+৫৯৫)+(৩২+৩০+৪৬৫)
+(৩৩+৭৩+২৭০১)+(৩৪+৫৪+১৪৮৫)
+(৩৫+৪৫+১০৩৫)+(৩৬+৮৩+৩৪৮৬)
+(৩৭+১৮২+১৬৬৫৩)+(৩৮+৮৮+৩৯১৬)
+(৩৯+৭৫+২৮৫০)+(৪০+৮৫+৩৬৫৫)
+(৪১+৫৪+১৪৮৫)+(৪২+৫৩+১৪৩১)
+(৪৩+৮৯+৪০০৫)+(৪৪+৫৯+১৭৭০)
+(৪৫+৩৭+৭০৩)+(৪৬+৩৫+৬৩০)
+(৪৭+৩৮+৭৪১)+(৪৮+২৯+৪৩৫)
+(৪৯+১৮+১৭১)+(৫০+৪৫+১০৩৫)
+(৫১+৬০+১৮৩০)+(৫২+৪৯+১২২৫)
+(৫৩+৬২+১৯৫৩)+(৫৪+৫৫+১৫৪০)
+(৫৫+৭৮+৩০৮১)+(৫৬+৯৬+৪৬৫৬)
+(৫৭+২৯+৪৩৫)+(৫৮+২২+২৫৩)
+(৫৯+২৪+৩০০)+(৬০+১৩+৯১)
+(৬১+১৪+১০৫)+(৬২+১১+৬৬)
+(৬৩+১১+৬৬)+(৬৪+১৮+১৭১)
+(৬৫+১২+৭৮)+(৬৬+১২+৭৮)
+(৬৭+৩০+৪৬৫)+(৬৮+৫২+১৩৭৮)
+(৬৯+৫২+১৩৭৮)+(৭০+৪৪+৯৯০)
+(৭১+২৮+৪০৬)+(৭২+২৮+৪০৬)
+(৭৩+২০+২১০)+(৭৪+৫৬+১৫৯৬)
+(৭৫+৪০+৮২০)+(৭৬+৩১+৪৯৬)
+(৭৭+৫০+১২৭৫)+(৭৮+৪০+৮২০)
+(৭৯+৪৬+১০৮১)+(৮০+৪২+৯০৩)
+(৮১+২৯+৪৩৫)+(৮২+১৯+১৯০)
+(৮৩+৩৬+৬৬৬)+(৮৪+২৫+৩২৫)
+(৮৫+২২+২৫৩)+(৮৬+১৭+১৫৩)
+(৮৭+১৯+১৯০)+(৮৮+২৬+৩৫১)
+(৮৯+৩০+৪৬৫)+(৯০+২০+২১০)
+(৯১+১৫+১২০)+(৯২+২১+২৩১)
+(৯৩+১১+৬৬)+(৯৪+৮+৩৬)
+(৯৫+৮+৩৬)+(৯৬+১৯+১৯০)
+(৯৭+৫+১৫)+(৯৮+৮+৩৬)+(৯৯+৮+৩৬)+(১০০+১১+৬৬)+(১০১+১১+৬৬)
+(১০২+৮+৩৬)+(১০৩+৩+৬)
+(১০৪+৯+৪৫)+(১০৫+৫+১৫)
+(১০৬+৪+১০)+(১০৭+৭+২৮)
+(১০৮+৩+৬)+(১০৯+৬+২১)
+(১১০+৩+৬)+(১১১+৫+১৫)
+(১১২+৪+১০)+(১১৩+৫+১৫)
+(১১৪+৬+২১) = ৩৪৬১৯৯
এ সংখ্যাটি ১৯ দ্বারা বিভাজ্য(৩৪৬১৯৯÷১৯)=১৮২২১
আল্লাহর নিদর্শন "১৯" এর এ নমুনা, কোন সূরার জন্য নির্দিষ্ট আয়াতের সংখ্যার সত্যতা স্বীকার করে।
"তার উপরে ১৯; আমরা ফেরেশতাদের ছাড়া জাহান্নামের প্রহরী নিযুক্ত করিনি এবং তাদের সংখ্যা (১৯) কে আমরা
i) অবিশ্বাসীদের জন্য একটি পরীক্ষার মাধ্যম বানিয়ে দিয়েছি,
ii) যেন এর মাধ্যমে যাদের ওপর আমার কিতাব নাজিল হয়েছে তারা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস স্থাপণ করতে পারে,
iii) যারা বিশ্বাস এনেছে তাদের বিশ্বাসও এতে করে বৃদ্ধি পায়,
iv) এর ফলে কিতাবধারীরা এবং বিশ্বাসীগণ যেন কোনরকম সন্দেহে নিমজ্জিত না হতে পারে,
v) যাদের মনে সন্দেহের ব্যাধি রয়েছে এর ফলে তারা এবং সত্য প্রত্যাখানকারী ব্যক্তিরা বলবে, এ উক্তি দ্বারা আল্লাহ কি বোঝাতে চান? এভাবে আল্লাহ যাকে চান তাকে বিপথগামী করেনন ,তিনি যাকে চান তাকে সঠিক পথে পরিচালিত করেন ; তোমার মালিকের বাহিনী সম্পর্কে তিনি ছাড়া আর কেউ জানে না,এ তো শুধু মানুষদের উপদেশের জন্যই।
এটি (১৯)মহান নিদর্শনগুলোর অন্যতম"
(সুরা আল মুদ্দাসির আয়াত নং ৩০,৩১,৩৫)

Saturday, August 29, 2015

আল্লাহর নিদর্শন "১৯"- (পর্ব-৪)

আল্লাহর নিদর্শন "১৯"- (পর্ব-৪)
"Super structure"
কখনও কি ভেবে দেখেছেন যে পুরো কুরআনে সূরাগুলো এভাবে কেন সাজানো হল! যেমন ধরুন কুরআনের ১ নম্বর সূরাটি নাজিলের দিক দিয়ে ৫ নম্বর সূরা, ২ নস্বর সূরাটি নাজিলের দিক দিয়ে ৮৭ নস্বর সূরা...
..এভাবে ১১৪ নম্বর সূরা নাজিলের দিক দিয়ে ২১ নম্বর সূরা।
এখন যদি আমরা সিরিয়ালি এভাবে সাজাই যেখানে, কুরআনে প্রত্যেক সূরার অবস্থানের সামনে সেই সূরাগুলোর নাজিলের দিক দিয়ে অবস্থান নম্বর অর্থাৎ যেমন
১ নম্বর সূরা ৫ নম্বরে নাজিল হয়েছে তাহলে
৫ ১, ২ নম্বর সূরা ৮৭ নম্বরে নাজিল হয়েছে তাহলে ৮৭ ২....এভাবে ১১৪ নম্বর সূরা ২১ নস্বরে নাজিল হয়েছে তাহলে ২১ ১১৪। এরকম করে করে একটি বড় সংখ্যা পাওয়া যায়।
৫ ১ ৮৭ ২ ৮৯ ৩ ৯২ ৪ ১১২ ৫ ৫৫ ৬ ৩৯ ৭ ৮৮ ৮ ১১৩ ৯ ৫১ ১০ ৫২ ১১ ৫৩ ১২ ৯৬ ১৩ ৭২ ১৪ ৫৪ ১৫ ৭০ ১৬ ৫০ ১৭ ৬৯ ১৮ ৪৪ ১৯ ৪৫ ২০ ৭৩ ২১ ১০৩ ২২ ৭৪ ২৩ ১০২ ২৪ ৪২ ২৫ ৪৭ ২৬ ৪৮ ২৭ ৪৯ ২৮ ৮৫ ২৯ ৮৪ ৩০ ৫৭ ৩১ ৭৫ ৩২ ৯০ ৩৩ ৫৮ ৩৪ ৪৩ ৩৫ ৪১ ৩৬ ৫৬ ৩৭ ৩৮ ৩৮ ৫৯ ৩৯ ৬০ ৪০ ৬১ ৪১ ৬২ ৪২ ৬৩ ৪৩ ৬৪ ৪৪ ৬৫ ৪৫ ৬৬ ৪৬ ৯৫ ৪৭ ১১১ ৪৮ ১০৬ ৪৯ ৩৪ ৫০ ৬৭ ৫১ ৭৬ ৫২ ২৩ ৫৩ ৩৭ ৫৪ ৯৭ ৫৫ ৪৬ ৫৬ ৯৪ ৫৭ ১০৫ ৫৮ ১০১ ৫৯ ৯১ ৬০ ১০৯ ৬১ ১১০ ৬২ ১০৪ ৬৩ ১০৮ ৬৪ ৯৯ ৬৫ ১০৭ ৬৬ ৭৭ ৬৭ ২ ৬৮ ৭৮ ৬৯ ৭৯ ৭০ ৭১ ৭১ ৪০ ৭২ ৩ ৭৩ ৪ ৭৪ ৩১ ৭৫ ৯৮ ৭৬ ৩৩ ৭৭ ৮০ ৭৮ ৮১ ৭৯ ২৪ ৮০ ৭ ৮১ ৮২ ৮২ ৮৬ ৮৩ ৮৩ ৮৪ ২৭ ৮৫ ৩৬ ৮৬ ৮ ৮৭ ৬৮ ৮৮ ১০ ৮৯ ৩৫ ৯০ ২৬ ৯১ ৯ ৯২ ১১ ৯৩ ১২ ৯৪ ২৮ ৯৫ ১ ৯৬ ২৫ ৯৭ ১০০ ৯৮ ৯৩ ৯৯ ১৪ ১০০ ৩০ ১০১ ১৬ ১০২ ১৩ ১০৩ ৩২ ১০৪ ১৯ ১০৫ ২৯ ১০৬ ১৭ ১০৭ ১৫ ১০৮ ১৮ ১০৯ ১১৪ ১১০ ৬ ১১ ২২ ১১২ ২০ ১১৩ ২১ ১১৪
সম্পূর্ণ এই সংখ্যাটি ১৯ দ্বারা বিভাজ্য এবং সংখ্যাটি
২৭৩০১৬২৯৫৪৫৯০২৩৯০৩০০০৮৬৮৫১৪১৬৭৬০১০২৩৭৯৩৩২৬৮৯৬৪৩৫৪৮৫৮৪৩২৮৬৪৩৪৪৫৯২৮৮৫৬৮৮৬৪৭৬৭০০৯২২৭৮৪৩৮৭২৮১২৮০৮১১২৪৫০৭২৩০৭২৯৪৪১৮৯৬৮৭৪৪২৯৬০১৩৮৬৫০৭৬০৩৪৪৫০৮৬৬৮১৮২৬৯০২৫৩১৯২০৭০৭৯৩০২৭২৪৪৮৫৪৪৯১৪৪৯৯৮৭১২৯৭৭৩৩৯৮৪৭৬৬২১৫৮৭৩৬৪০০০৫৭৬৯০০৫৫৯০০২৪৩৭৪১৩৯৪৭১৮৪৭৭৭১৯৮৭৭৫০৯৮৮৭৮৮৪০৬০০৩৮০৯১৩০২২৭২৪২০৪০১৭৭৭৭৯৩৬২১৯৯৬০৪২৫১৬৭৫১৭২৯৯১৪৯৩৯০৯৩৯৬৬৭৭৩০৯৩০৯৯০০৪৭০৩১০৬৬৭৯৯৯৫৮৫২২৬৯৯৬৯৯৪৪৮৪০১৩৬৬৮৯৫২৫৭৫৭৮৪৯৫২৬৪৭৪২১৬৬৩৬৯৫৪২৬৪৯০৫৮১১৫৩১৮৫৭৪২৪৩০০৫৬৩৯৫৩০৬২১৬২৬৯১৬৩৭১৬৩৭৪৮৪৮০১০৫৮৫৯০০৬
"তার উপরে ১৯; আমরা ফেরেশতাদের ছাড়া জাহান্নামের প্রহরী নিযুক্ত করিনি এবং তাদের সংখ্যা (১৯) কে আমরা
i)অবিশ্বাসীদের জন্য একটি পরীক্ষার মাধ্যম বানিয়ে দিয়েছি,
ii)যেন এর মাধ্যমে যাদের ওপর আমার কিতাব নাজিল হয়েছে তারা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস স্থাপণ করতে পারে,
iii) যারা বিশ্বাস এনেছে তাদের বিশ্বাসও এতে করে বৃদ্ধি পায়,
iv) এর ফলে কিতাবধারীরা এবং বিশ্বাসীগণ যেন কোনরকম সন্দেহে নিমজ্জিত না হতে পারে,
v)যাদের মনে সন্দেহের ব্যাধি রয়েছে এর ফলে তারা এবং সত্য প্রত্যাখানকারী ব্যক্তিরা বলবে, এ উক্তি দ্বারা আল্লাহ কি বোঝাতে চান? এভাবে আল্লাহ যাকে চান তাকে বিপথগামী করেনন ,তিনি যাকে চান তাকে সঠিক পথে
পরিচালিত করেন ; তোমার মালিকের বাহিনী সম্পর্কে তিনি ছাড়া আর কেউ জানে না,এ তো শুধু মানুষদের
উপদেশের জন্যই।"
এটি (১৯)মহান নিদর্শনগুলোর অন্যতম"
(সুরা আল মুদ্দাসির আয়াত নং ৩০,৩১,৩৫)

Wednesday, August 26, 2015

আল্লাহর নিদর্শন "১৯"-(পর্ব-৩)

আল্লাহর নিদর্শন "১৯"-(পর্ব-৩)
ভাগফলগুলো যোগ করলে
(১ + ১৪২ + ৩ + ৬ = ১৫২), বা ১৯ x ৮
★"বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম" এ প্রথম শব্দটি বড় বিচিত্র আকারে গঠিত।
এরূপ আরবি ব্যকরনে বানান হয় না। উক্ত
১৯ বার এর যেই কথা আছে তা হচ্ছে
স্বাভাবিক বানানের হার। বিচিত্র
বানানটি তিনটি সংখ্যাযুক্ত আয়াতে
ব্যবহৃত হয়েছে, যথা- ১:১, ১১:৪১, ২৭:৩০
যদি তিন এবং সুরা নং এবং আয়াত নং
সব যোগ দেওয়া হয়, যোগফল হয় (৩ + ১ + ১ +১১ + ৪১ + ২৭ + ৩০ = ১১৪), বা ১৯ x ৬
★যদি এই তিনটি আয়াত নাযিল হবার
সিরিয়ালি একের পর বসানো হয় (১:১,
২৭:৩০, ১১:৪১) , তখনও তা ১৯ দ্বারা
বিভাজ্য হয়। ১১২৭৩০১১৪১ = ১৯ x ৫৯৩৩১৬৩৯
সব আল্লাহর মহিমা। আলহামদুলিল্লাহ।
"তার উপরে ঊনিশ(১৯); আমরা ফেরেশতাদের ছাড়া জাহান্নামের প্রহরী নিযুক্ত করিনি
এবং তাদের সংখ্যা (১৯) কে আমরা
i)অবিশ্বাসীদের জন্য একটি পরীক্ষার
মাধ্যম বানিয়ে দিয়েছি,
ii)যেন এর মাধ্যমে যাদের ওপর আমার
কিতাব নাজিল হয়েছে তারা
দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস স্থাপণ করতে পারে,
iii) যারা বিশ্বাস এনেছে তাদের
বিশ্বাসও এতে করে বৃদ্ধি পায়,
iv) এর ফলে কিতাবধারীরা এবং
বিশ্বাসীগণ যেন কোনরকম সন্দেহে
নিমজ্জিত না হতে পারে,
v)যাদের মনে সন্দেহের ব্যাধি রয়েছে
এর ফলে তারা এবং সত্য
প্রত্যাখানকারী ব্যক্তিরা বলবে, এ
উক্তি দ্বারা আল্লাহ কি বোঝাতে
চান? এভাবে আল্লাহ যাকে চান
তাকে বিপথগামী করেনন ,তিনি
যাকে চান তাকে সঠিক পথে
পরিচালিত করেন ; তোমার মালিকের
বাহিনী সম্পর্কে তিনি ছাড়া আর
কেউ জানে না,এ তো শুধু মানুষদের
উপদেশের জন্যই।"
এটি (১৯)মহান নিদর্শনগুলোর অন্যতম"
(সুরা আল মুদ্দাসির আয়াত নং ৩০,৩১,৩৫)
নিদর্শন "১৯" প্রমাণ করে কুরআনের সত্যতা। কুরআন সত্যিই আল্লাহ তা'লার পক্ষ থেকে আসা গ্রন্থ।

আল্লাহর নিদর্শন "১৯"- (পর্ব-২)

আল্লাহর নিদর্শন "১৯"- (পর্ব-২)
★আমরা জানি কুরআনের সর্বপ্রথম সূরা নাজিল হয় সূরা আলাক্ব(৯৬) প্রথম পাঁচটি আয়াত সহ(১-৫)। এই পাঁচটি আয়াতে সর্বমোট ১৯ টি আরবি শব্দ আছে যা ১৯(১৯÷১৯=১) দ্বারা বিভাজ্য।
★এই পাঁচটি আয়াতে সর্বমোট ৭৬ টি আরবি অক্ষর আছে যা ১৯( ৭৬÷১৯=৪) দ্বারা বিভাজ্য।
★সর্বপ্রথম নাজিলকৃত এই সূরায়(৯৬) সর্বমোট ১৯ টি আয়াত আছে যা ১৯(১৯÷১৯=১) দ্বারা বিভাজ্য।
★ কুরআনের সর্বপ্রথম নাযিলকৃত সুরাটি(৯৬)
কুরআনের শেষ দিক থেকে ১৯তম সুরা যা ১৯(১৯÷১৯=১) দ্বারা বিভাজ্য।
১১৪, ১১৩, ১১২, ১১১, ১১০, ১০৯, ১০৮, ১০৭,
১০৬, ১০৫, ১০৪, ১০৩, ১০২, ১০১, ১০০, ৯৯, ৯৮,৯৭, ৯৬।
★কুরআনের সর্বপ্রথম নাজিলকৃত সূরাটিতে(৯৬) সর্বমোট ৩০৪ টি আরবি অক্ষর আছে যা ১৯(৩০৪÷১৯=১৬) দ্বারা বিভাজ্য।
★ কুরআনের সর্বশেষ নাযিলকৃত সুরা হচ্ছে ১১০ যাতে রয়েছে ১৯টি আরবি অক্ষর যা ১৯(১৯÷১৯=১) দ্বারা বিভাজ্য।
★ কুরআনের সর্বশেষ নাযিলকৃত সুরার প্রথম আয়াটি ১৯টি অক্ষরে গঠিত যা ১৯(১৯÷১৯=১) দ্বারা বিভাজ্য।
★ কুরআনের সর্বমোট ২৯টি আদ্যক্ষরযুক্ত সুরা
রয়েছে, যাতে ১৪টি ভিন্ন ভিন্ন আদ্যক্ষরের সেট ব্যবহার হয়েছে (যেমন ২:১ এর আলিম-লাম-মিম;), যাতে ব্যবহৃত রয়েছে ১৪টি ভিন্ন
ভিন্ন আরবি অক্ষর। ২৯ + ১৪ + ১৪ = ৫৭ যা ১৯(৫৭÷১৯=৩) দ্বারা বিভাজ্য।
★ কুরআনের ২৯টি আদ্যক্ষরযুক্ত সুরার
সংখ্যার যোগফল (২+৩+৭ + ... + ৫০ + ৬৮
= ৮২২) এবং ১৪টি আদ্যক্ষর সেট, ৮২২+১৪
= ৮৩৬ যা ১৯(৮৩৬÷১৯=৪৪) দ্বারা বিভাজ্য।
★ কুরআনের প্রথম আদ্যক্ষরযুক্ত সুরা
(২) এবং শেষ আদ্যক্ষরযুক্ত সুরা (৬৮) এর
মাঝে রয়েছে মোট ৩৮টি আদ্যক্ষরবিহীন সুরা যা(৩৮÷১৯=২) দ্বারা বিভাজ্য।
★ কুরআনের প্রথম আদ্যক্ষরযুক্ত সুরা
(২) এবং শেষ আদ্যক্ষরযুক্ত সুরা (৬৮) এর
মাঝে রয়েছে আদ্যক্ষরযুক্ত সুরার
সেট, আদ্যক্ষরবিহীন সুরার সেট মোট
১৯টি যা ১৯(১৯÷১৯=১) দ্বারা বিভাজ্য।
★ কুরআনে মোট ৩০টি ভিন্ন ভিন্ন
সংখ্যার উল্লেখ রয়েছে, যথা- ১, ২,
৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, ১০, ১১, ১২, ১৯, ২০, ৩০, ৪০, ৫০, ৬০, ৭০, ৮০, ৯৯, ১০০, ২০০, ৩০০, ১০০০, ২০০০, ৩০০০, ৫০০০, ৫০০০০, ১০০০০০; যার যোগফল হচ্ছে ১৬২১৪৬ যা ১৯(১৬২১৪৬÷১৯=৮৫৩৪) দ্বারা বিভাজ্য।
চলবে ইন শা আল্লাহ....
কাকতালীয় কিছুই নয়। সব আল্লাহর নিদর্শন।
"তার উপরে ঊনিশ(১৯)"
"আমরা ফেরেশতাদের ছাড়া
জাহান্নামের প্রহরী নিযুক্ত করিনি
এবং তাদের সংখ্যা (১৯) কে আমরা
i)অবিশ্বাসীদের জন্য একটি পরীক্ষার
মাধ্যম বানিয়ে দিয়েছি,
ii)যেন এর মাধ্যমে যাদের ওপর আমার
কিতাব নাজিল হয়েছে তারা
দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস স্থাপণ করতে পারে,
iii) যারা বিশ্বাস এনেছে তাদের
বিশ্বাসও এতে করে বৃদ্ধি পায়,
iv) এর ফলে কিতাবধারীরা এবং
বিশ্বাসীগণ যেন কোনরকম সন্দেহে
নিমজ্জিত না হতে পারে,
v)যাদের মনে সন্দেহের ব্যাধি রয়েছে
এর ফলে তারা এবং সত্য
প্রত্যাখানকারী ব্যক্তিরা বলবে, এ
উক্তি দ্বারা আল্লাহ কি বোঝাতে
চান? এভাবে আল্লাহ যাকে চান
তাকে বিপথগামী করেনন ,তিনি
যাকে চান তাকে সঠিক পথে
পরিচালিত করেন ; তোমার মালিকের
বাহিনী সম্পর্কে তিনি ছাড়া আর
কেউ জানে না,এ তো শুধু মানুষদের
উপদেশের জন্যই।"
"এটি (১৯)মহান নিদর্শনগুলোর অন্যতম"
(সুরা আল মুদ্দাসির আয়াত নং ৩০,৩১,৩৫)

Monday, August 24, 2015

আল্লাহর নিদর্শন "১৯"-(পর্ব-১)

আল্লাহর নিদর্শন "১৯"-(পর্ব-১)
★এই ১৯ এর অলৌকিক ঘটনাটির বিশদ বর্ণনা
সুরা ৭৪ এ দেওয়া আছে যার আবির্ভাব বিশ্বের কাছে ঘটেছে ১৯৭৪ সনে।
১৯৭৪ অংকটির ১৯ হল নিদর্শন আর ৭৪ হল সুরা নম্বর। কাকতালীয় !!! যা কিনা কুরআন অবতারণের বা নাযিল হবার ১৪০৬ ( ১৯ x ৭৪ ) আরবি বা চান্দ্রবাৎসরিক বছর পর।{কুরআনের ১৯ এর নিদর্শনপ্রকাশ করা হয়েছে জানুয়ারী ১৯৭৪,  অর্থাৎ ১৩৯৩ হিজরিতে, আর কুরআন
নাযিল হয়েছে হিজরির ১৩ বছর পূর্বে। ১৩৯৩+১৩ = ১৪০৬ = ১৯ x ৭৪ }
সুবহান আল্লাহ।

★কুরআনের প্রথম আয়াত " বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম" তে মোট ১৯ টি আরবি অক্ষর রয়েছে।
"বা,সিন,মিম,আলিফ,লাম,লাম,হা,আলিফ,লাম,র,হা,মিম,নূন,আলিফ,লাম,র,হা,ইয়া,মিম"
 যেটি স্বয়ং ১৯ এবং ১৯ দ্বারা বিভাজ্য ১৯÷১৯=১।

★কুরআনে সর্বমোট সুরা আছে ১১৪টি যা ১৯ দ্বারা বিভাজ্য। ১১৪÷১৯=৬।

★ কুরআনের সর্বমোট আয়াত আছে ৬৩৪৬ টি।
৬২৩৪ সংখ্যাযুক্ত আয়াত + ১১২ সংখ্যাবিহীন বিসমিল্লাহ্ = ৬৩৪৬ যা ১৯ দ্বারা বিভাজ্য ৬৩৪৬÷১৯=৩৩৪।
এমনকি ৬+৩+৪+৬ = ১৯। কাকতালীয়!!!!

★ কুরআনে মোট ১১৪টি "বিসমিল্লাহির রহমানীর রহীম" আছে সুরা ৯ এ অবর্তমান থাকা সত্বেও। কেননা সুরা ২৭ এ এটি দুবার এসেছে যার ফলে কুরআনে আছে মোট ১১৪টি যা সূরার সংখ্যার মত ১৯ দ্বারা বিভাজ্য। ১১৪÷১৯=৬।

★ বিসমিল্লাহ্বিহীন সুরা ৯ থেকে বাড়তি বিসমিল্লাহ্ যুক্ত সুরা ২৭ পর্যন্ত মোট ১৯টি সুরা,যা স্বয়ং ১৯ এবং ১৯ দ্বারা বিভাজ্য।১৯÷১৯=১।
৯, ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫, ১৬, ১৭, ১৮, ১৯, ২০, ২১, ২২, ২৩, ২৪, ২৫, ২৬, ২৭। কাকতালীয়!!!

★ বিসমিল্লাহ্বিহীন সুরা ৯ থেকে বাড়তি বিসমিল্লাহ্যুক্ত সুরা ২৭ পর্যন্ত মোট ১৯টি সুরা, আর এই সুরা ৯ থেকে সুরা ২৭ পর্যন্ত সকল সুরার সংখ্যার যোগফল হচ্ছে ৩৪২।
৯+১০+১১+১২+১৩+১৪+১৫+১৬+১৭+১৮+১৯+২০+২১+২২+২৩+২৪+২৫+২৬+২৭=৩৪২ যা ১৯ দ্বারা বিভাজ্য। ৩৪২÷১৯=১৮।
গণিতশাস্ত্রে একটানা যে কোনো ১৯ সংখ্যার যোগফল ১৯ দ্বারা বিভাজ্য হয়ই- সত্য।

★ ২৭ নম্বর সূরায় দুইবার " "বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম" আছে। এই দুই বিসমিল্লাহ এর মধ্যে অর্থাৎ প্রথম বিসমিল্লাহ থেকে দ্বিতীয় বিসমিল্লাহ পর্যন্ত মোট ৩৪২ টি আরবি শব্দ আছে যা ১৯ দ্বারা বিভাজ্য। ৩৪২÷১৯=১৮।


এই যে এত এত "১৯"। কি এই "১৯" "তার উপরে ঊনিশ(১৯)"
"আমরা ফেরেশতাদের ছাড়া জাহান্নামের প্রহরী নিযুক্ত করিনি এবং তাদের সংখ্যা (১৯) কে আমরা
i) অবিশ্বাসীদের জন্য একটি পরীক্ষার মাধ্যম বানিয়ে দিয়েছি,
ii) যেন এর মাধ্যমে যাদের ওপর আমার কিতাব নাজিল হয়েছে তারা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস স্থাপণ করতে পারে,
iii) যারা বিশ্বাস এনেছে তাদের বিশ্বাসও এতে করে বৃদ্ধি পায়,
iv) এর ফলে কিতাবধারীরা এবং বিশ্বাসীগণ যেন কোনরকম সন্দেহে নিমজ্জিত না হতে পারে,
v) যাদের মনে সন্দেহের ব্যাধি রয়েছে এর ফলে তারা এবং সত্য প্রত্যাখানকারী ব্যক্তিরা বলবে, এ উক্তি দ্বারা আল্লাহ কি বোঝাতে চান? এভাবে আল্লাহ যাকে চান তাকে বিপথগামী করেনন ,তিনি যাকে চান তাকে সঠিক পথে পরিচালিত করেন ; তোমার মালিকের বাহিনী সম্পর্কে তিনি ছাড়া আর কেউ জানে না,এ তো শুধু মানুষদের উপদেশের জন্যই।"
"এটি (১৯)মহান নিদর্শনগুলোর অন্যতম"
(সুরা আল মুদ্দাসির আয়াত নং ৩০,৩১,৩৫)